নিজের মূল এজেন্ডা ফাঁস করলেন কঙ্গনা

প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২০

‘আমার এজেন্ডা একটাই, রাষ্ট্রবাদ। বলিউড বলছে কঙ্গনা স্বার্থসিদ্ধির জন্য টুইটারে এসেছে, কিন্তু আমি সাফ জানিয়ে দিতে চাই যে আমার একমাত্র এজেন্ডা হলো- রাষ্ট্রবাদ। যেখানে সবাই মিলে এক হয়ে নতুন ভারত গড়ে তোলার ডাক দিতে পারি।’ এমনই মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। যার রেশ ধরে নেটজনতার একাংশ বলছেন, তাহলে কি কঙ্গনা রাজনীতির ময়দানে নামছেন?

এযাবৎকাল টুইটার প্রোফাইলের নাম ছিল ‘টিম কঙ্গনা রানাউত’। কিন্তু এবার নামের আগে থেকে সরে গেল ‘টিম’ শব্দ! কেন? কারণ, এখন থেকে কঙ্গনা যা বিবৃতিতে দেবেন, সেটা তার নিজস্ব বলেই ধরা হবে। টুইটার প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করেছেন গত পরশুই। কিন্তু শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ভক্তদের জানিয়ে দিলেন যে, এবার তিনি অফিশিয়ালি টুইটারে পদার্পণ করলেন। আর তা শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের কী উল্লাস! যার জেরে টুইটারে এখন ট্রেন্ডিং #BollywoodQueenOnTwitter।

তা হঠাৎ বলিউড ক্যুইনের এমন সিদ্ধান্ত কেন? আসলে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই একেবারে যুদ্ধংদেহী অবতারে রয়েছেন কঙ্গনা। ইন্ডাস্ট্রির নেপোটিজম, স্বজনপোষণ নিয়ে তাবড় তাবড় তারকাদের বিঁধতেও ছাড়েননি তিনি। তাকে বলিউডের আয়রন লেডি বললেও অত্যুক্তি হয় না বোধ হয়! করণ জোহর, মহেশ ভাট থেকে আদিত্য রায় কাপুর, সালমান-আমির… কেউই তার বাক্যবাণ থেকে বাদ যাননি। একাধারে সুশান্ত মৃত্যু নিয়ে কঙ্গনা এমন কার্যকলাপে নেটজনতার একাংশ যেমন তাকে সায় দিয়েছেন, কেউ বা আবার কঙ্গনাকে স্বার্থান্বেষী বলেও তোপ দেগেছেন! তাদের কথায়, কঙ্গনা ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

অন্যদিকে, অভিনেত্রীর টুইটার প্রোফাইলে ‘টিম’ শব্দের জন্য অনেকেই বলেছেন এটা চালাকি ছাড়া আর কিছুই নয়! নিজের পিঠ বাঁচাতেই পরোক্ষভাবে এর ব্যবহার। তবে কঙ্গনা যাবতীয় সব জল্পনা উড়িয়ে এবার নিজেই টুইটারে পদার্পণ করলেন।

যদিও নেটজনতার সেসব অভিযোগের দিকে কোনো দিনই কর্ণপাত করেন না কঙ্গনা। তিনি রয়েছেন নিজের মতো। কিন্তু কঙ্গনার এজেন্ডা কী? সোশ্যাল মিডিয়াতেই বা এত সক্রিয় কেন? মিনিটে মিনিটে টুইট করছেন আর প্রত্যেকটা টুইটেই বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির কাউকে না কাউকে বিঁধছেন। টুইটারে পা রেখেই অভিনেত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন যে, তার একমাত্র এজেন্ডা হলো- ‘রাষ্ট্রবাদ’। “নতুন ভারত গড়ে তুলতে সোশ্যাল মিডিয়াতেই আমরা সরব হতে পারি। সুশান্তের মৃত্যুর প্রতিবাদ যেরকম গোটা দুনিয়া করেছে, তাতে আমার আরও বেশি করে বিশ্বাস হয়ে গিয়েছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ার সত্যিই অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। যেখানে সরব হয়ে আমরা নতুন এক ভারত গড়ে তুলতে পারি”, মন্তব্য কঙ্গনার।